বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

বাড়াবাড়ির সীমা থাকা দরকার : প্রধান বিচারপতি

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬২
ফাইল ফটো

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, বাড়াবাড়ির সীমা থাকার দরকার। আপিল বিভাগে এর আগে এমন অবস্থা দেখিনি। আদেশ দেওয়া হয়েছে। এজলাসে অবস্থান করে আদালতের পরিবেশ নষ্ট করবেন না।

বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন দাখিল ও জামিন বিষয়ক শুনানির দিন ধার্যের আদেশ দেওয়ার পরও আদালত কক্ষে হইচই করেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা। এ প্রেক্ষাপটে প্রধান বিচারপতি এ কথা বলেন।

আদালত সূত্র জানায়, মেডিকেল রিপোর্ট না আসায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি পিছিয়ে দিতে চাওয়ায় আপিল বিভাগের এজলাস কক্ষে হট্টগোল শুরু করেন বিএনপির আইনজীবীরা। তবে জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। এ অবস্থায় বিব্রত হয়ে বিচারপতিরা এজলাস কক্ষ ত্যাগ করে খাস কামরায় যান। প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন ছয় সদস্যের আপিল বেঞ্চে এ ঘটনা ঘটে।

আদালত সূত্র আরও জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে খালেদা জিয়ার জামিনের আপিল শুনানি শুরু হয়। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ সংক্রান্ত শুনানি শুরু হয়। শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম জানান, খালেদা জিয়ার আরও কিছু স্বাস্থ্যগত পরীক্ষা বাকি আছে। এ জন্য দুই সপ্তাহ সময় প্রয়োজন। এরপর আদালত এক সপ্তাহ সময় দিয়ে ১২ ডিসেম্বর নতুন দিন ঠিক করেন।

নতুন তারিখ নির্ধারণের পরই আদালতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল শুরু হয়। এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচারকরা এজলাস ত্যাগ করেন।

আদালতে বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের মধ্যে ছিলেন—সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দীন সরকার, সাবেক আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, এ জে মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, নিতাই রায় চৌধুরী, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, অ্যাডভোকট মনির হোসেন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, জামিল আক্তার এলাহী, ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন, তাহেরুল ইসলাম তৌহিদসহ আইনজীবীরা।

এর আগে চ্যারিটেবল মামলায় ৩১ জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ করেন। এরপর ১৪ নভেম্বর হাইকোর্টের খারিজাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন তার আইনজীবীরা। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ১৪০১ পৃষ্ঠার ওই আপিল আবেদন দাখিল করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2019 UkhiyaSangbad
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbaukhiyasa15