বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০৭:৫৭ অপরাহ্ন

উখিয়ার বালুখালির ইয়াবা সম্রাট জুনু র‌্যাবের জালে আটক

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৬৭

উখিয়ার বালুখালি নুরুল আমিন প্রকাশ ইয়াবা সম্রাট জুনু অবশেষে র‌্যাবের জালে আটক। শূন্য থেকে ধনাঢ্য ব্যক্তির খাতায় নাম লিখিয়ে চৌকিদার জুনু ইতিমধ্যে আলোচনায় আসেন। ইয়াবা ব্যবসা ছাড়াও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাম ভাঙ্গিয়ে ইয়াবা কারবারিদের নিকট মাসিক মাসোহারা আদায় করা ছিল তার প্রধান কাজ।

রামু থানার ডিউটি অফিসার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন নুরুল আমিন প্রকাশ জুনু সহ দুই ব্যক্তিকে ৯ হাজার ইয়াবাসহ থানায় হস্তান্তর করেছে র‌্যাব। এ ব্যাপারে বুধবার ( ২৫ ডিসেম্বর) মাদক দ্রব্য আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত জুনু বালুখালির বালু বাপের খিল গ্রামের আলী হোসন প্রকাশ লম্বা আলীর পুত্র।
জানাযায় পালংখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চৌকিদার নুরুল আমিন প্রকার জুনু কয়েক বছর ধরে ইয়াবা পাচারে জড়িত হয়। চোরাচালানীদের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলে বিশেষ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিজেকে সোর্স পরিচয় দিয়ে এলাকায় প্রতাপশালী বনে যায়। এক পর্যায়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নিকট হতে পুলিশ প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে মাসোহারা আদায়ের নেমে পড়ে তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান পুলিশের সোর্সের পরিচয় দিয়ে ইয়াবা ব্যবসায় নেমে বিপুল কালো টাকার মালিক হন তিনি। বর্তমানে তার ৩টি বাড়ি সহ অসংখ্য ডাম্পার সিএনজি ও টমটম গাড়ি রয়েছে,।

তার স্ত্রী কুলসুমার নামের উখিয়ায় বিভিন্ন ব্যাংকে বিপুল পরিমাণ টাকা জমানো হয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে তার অপর ভাই আবসার মিয়া, একলাছ মিয়া ও আয়াজ মিয়া ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত।
এছাড়া তার ভগ্নিপতি নূর মোহাম্মদ ঘুমধুমে ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করেছে। এদের বিরুদ্ধে উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় একাধিক মাদকদ্রব্য আইন মামলা রয়েছে।
খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায় র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ জুনু চৌকিদারকে আটক করে। ইয়াবা সম্রাটকে গ্রেপ্তারের সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আলোচনার ঝড় শুরু হয়। কেননা চৌকিদার’ জুনু ছিল পুলিশের সোর্স । ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নিকট হতে মাসোহারা আদায় কারীকে গ্রেপ্তার ছিল কল্পনার বাহিরে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গ্রামবাসীরা জানায় ইয়াবা ব্যবসা করে যেমনি ভাবে রাতারাতি কালো টাকার মালিক হয়েছে তেমনি ভাবে পুলিশের সোর্স পরিচয় দিয়ে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নিকট হতে মাসোহারা আদায় করে বালুখালির ইয়াবা ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ তার হাতে চলে আসে। সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইয়াবা ব্যবসা করে কি পরিমান কালো টাকা আয় করেছে এবং অবৈধভাবে অর্জিত স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে। জানা গেছে ইয়াবা সম্রাট জুনু গাড়ি বাড়ি পাশাপাশি ঘুমধুমে বিপুল পরিমাণ জমি ক্রয় করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2019 UkhiyaSangbad
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbaukhiyasa15