বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০, ০৫:৪১ অপরাহ্ন

পুলিশকে জনতার হতে হবে

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম :: মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৪৫

মুজিববর্ষে পুলিশ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার’, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পুলিশকে জনতারই হতে হবে, জনগণ যেন আস্থা পায়, বিশ্বাস পায়। পুলিশের প্রতি আগে মানুষের যে একটা অনীহা ছিল, সেটি আর নেই। বরং পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস বেড়েছে। এটিই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কাজেই আপনারা সেভাবেই কাজ করবেন। প্রধানমন্ত্রী সোমবার সকালে তার কার্যালয়ে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে ভাষণে এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা আপনাদের ওপর স্ব-স্ব দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করবেন। আজ বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল এবং উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে। এটি আমাদের ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে, যাতে উন্নয়নশীল দেশের স্থায়ী স্বীকৃতি অর্জন করতে পারি।

জরুরি সহায়তার ‘৯৯৯’ নম্বর সেবার কথা তুলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৯৯৯’ করার ফলে এখন মানুষের ব্যাপক একটা আত্মবিশ্বাস এসেছে। কোনো একটা জায়গায় কোনো অন্যায় দেখলেই, একজনের ওপর অন্যায় হচ্ছে, আরেকজন সঙ্গে সঙ্গে ফোন করে দেয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ সেখানে পৌঁছে যাচ্ছে, ব্যবস্থা নিচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৭৫-এর পর অনেকের ধারণা ছিল আওয়ামী লীগ আর জীবনে সরকার গঠন করতে পারবে না। কিন্তু বাংলার জনগণের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জানাই। আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সহায় ছিলেন

বলেই এতবড় একটা গুরুদায়িত্ব নিতে এবং দেশটাকে উন্নত করতে পেরেছি। তিনি বলেন, স্বাধীনতার মূল্যবোধ যেটি আমরা ’৭৫-এর পর হারিয়ে ফেলেছিলাম তা আজ আবার ফিরে পেয়েছি। মানুষের মনে আজ স্বাধীনতার মূল্যবোধ জাগ্রত। আবার সেই নতুন চেতনা নিয়েই বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে ২০২১ সালের ২৬ মার্চ পর্যন্ত মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের কথাও তুলে ধরেন।

বিআরটিএ, বিআইডব্লিউটিএ এবং মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পুলিশ প্রতিনিধি থাকা প্রয়োজন এবং সরকার সে উদ্যোগ নেবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনে ইতোমধ্যেই পুলিশ সদস্যদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের কিন্তু গ্রেপ্তার করার কোনো এখতিয়ার নেই। গ্রেপ্তার করতে হলে কিন্তু তাদের আইনশৃঙ্খলা সংস্থাকেই বলতে হবে। তারা নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু তারা ধরে রেখে ওখানে হাজতখানা বানাবে, হাজতে রাখবে, এটা কমিশনের কাজ নয়। যার যার কাজ তার তার করতে হবে। এ কথাটা মাথায় রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন এবং আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বক্তৃতা করেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, খুলনা মহানগর পুলিশ কমিশনার খোন্দকার লুৎফুল কবির, চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আমেনা বেগম এবং ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি হারুন অর রশিদ পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2019 UkhiyaSangbad
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbaukhiyasa15