সোমবার, ২৩ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৩৪ অপরাহ্ন

সন্ত্রাসী আনার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ আ.লীগ ও বিএনপির

ডেস্ক রিপোর্ট :
  • আপডেট টাইম :: বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী, ২০২০
  • ৫১

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে বহিরাগত ভাড়াটে সন্ত্রাসী আনার পরস্পরবিরোধী অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলছেন, ভোট বানচাল করতে কেন্দ্র প্রতি পাঁচশোরও বেশি দাগি আসামি এনেছে বিএনপি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ধানের শীষের গণজোয়ারে ভীত আওয়ামী লীগ তাই তারা ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের এনে সমাবেশ করে শক্তির জানান দিচ্ছে। যা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হলেও নিশ্চুপ নির্বাচন কমিশন।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলির সভা শেষ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনের আগে বিএনপি নির্বাচনি পরিবেশ নষ্ট ও ভীতি সঞ্চার তৈরি করছে। এমনকি প্রতি কেন্দ্রে পাঁচশোরও বেশি দাগি আসামি নিয়োজিত করছে তারা। বিএনপি ভোট ডাকাতি করতে পারবে না বলেই তারা ইভিএম পছন্দ করে না। আর এসব কারণেই বিএনপি ইভিএম নিয়ে বিতর্ক করছে।

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখনও ডিজিটালাইজড হতে পারেনি। তাই তারা জনগণের ডাকে সাড়া না পেয়ে এখন বিভ্রান্ত হয়ে গেছে। তবে ভোটের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ভোটের দিন মাঠে কাজ করবে আমাদের দলীয় নেতা-কর্মীরা।

এ সময় আসন্ন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাই জয়ী হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন ওবায়দুল কাদের। কিন্তু নির্বাচনের পরেও দলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাথে কোনেও রকম সমঝোতা করা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে আওয়ামী লীগ ভীত হয়ে পড়েছে। এখন তারা ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের নিয়ে সমাবেশ ও মিছিল করে নিজেদের শক্তির জানান দিচ্ছে। এমনকি দলটি সারা দেশ থেকে সন্ত্রাসীও জড়ো করেছে। যা নির্বাচনি আচরণবিধির সুস্পট লঙ্ঘন। অথচ নির্বচান কমিশনের কাছে অভিযোগ করা হলেও তা আমলে নেয়নি সিইসি। তাই এতেই প্রমাণিত হয়, একদলীয় পক্ষপাতমূলক নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের অযোগ্যতার কারণেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন একদলীয় দলীয় চরিত্রে রূপ নিয়েছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, আমাদের দুই প্রার্থী তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনের ওপর হামলা করা হয়েছে। এমনকি হুমকি দিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যেতেও বলা হচ্ছে।

শেষ মুহূর্তের জমজমাট প্রচারের মধ্যে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দুই পক্ষই পাল্টাপাল্টি অভিযোগে কথার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ভোটাররা চাচ্ছেন একটি আস্থার পরিবেশ। যাতে তারা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেন।

শনিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার ২ হাজার ৪৬৮টি কেন্দ্রে একটানা ভোট চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2019 UkhiyaSangbad
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com
themesbaukhiyasa15